শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। তাই শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে এবং মানসম্মত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
দেশ গড়া
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাম্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের এবারের ঈদের অঙ্গীকার।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে তাদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, ইনসাফভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে বলে মনে করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
পিরোজপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে যে শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন ইনসাফপূর্ণ সমাজের লক্ষ্য নিয়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও সেই স্বপ্ন আজও বাস্তবে রূপ নেয়নি।
বর্তমান বাংলাদেশ নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব ও আয় বৈষম্য সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন করে তুলেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিভক্তির বাংলাদেশ চাই না। ঐক্যের বাংলাদেশ চাই।
দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদেরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান। তিনি বলেন, তাদের (শ্রমিক) অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণে সম্পদ সৃষ্টি এবং সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ অপরিহার্য।
মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে বিএনপি ঘোষিত ‘বিএনপির দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
জুলাই আন্দোলনের শহীদ মীর মুগ্ধের জমজ ভাই ও বিএনপি নেতা মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বেই শহীদদের স্বপ্নের দেশ গড়া সম্ভব।